দাওয়াত ও তাবলীগ- তাবলীগের ছয় নাম্বারঃ পর্ব-২

দাওয়াত ও তাবলীগ- তাবলীগের ছয় নাম্বারঃ পর্ব-২

দাওয়াত ও তাবলীগ পর্ব লেখাটি সম্পূর্ণ প্রথম লেখার সাথে সম্পৃক্ত। সুতরাং যদি বিষয়টি স্পষ্ট ভাবে জানতে চান তাহলে প্রথম লেখাটিও পড়বেন।

বিঃদ্রঃ যেহেতু লেখাটি প্রথম পর্বের সাথে সম্পৃক্ত, তাই কোন রকম ভূমিকা ছাড়াই মূল কথা শুরু করে দিয়েছি।

দাওয়াত ও তাবলীগের ৪র্থ নম্বর প্রকার হলো ইকরাওমুল মুসলিমীন

(৪) ইকরামুল মুসলিমীনঃ- মুসলমান ভাইয়ের সাহায্য সহযোগিতা।

উদ্দেশ্যঃ প্রত্যেক মুসলমান ভাইয়ের কিমত ও মূল্য জেনে তার সম্মান করা। সমস্ত মাখলুকাতের উপকারের চেষ্টা করা।

লাভঃ মুমিনগন পরস্পর ভাই ভাই।


আল্লাহ তা’আলা বলেনঃ-


انما المؤمنون اخوه


রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ-


المسلم اخ المسلم

সুতরাং, তোমরা ভাইদের মধ্যে শান্তি স্থাপন কর, আর আল্লাহকে ভয় কর, যাতে তোমাদের প্রতি দয়া করা হয় (হুজুরাত-১০)।
আল্লাহ তা’আলা আরো বলেনঃ-


انما نطعمكم لوجه الله لانريد منكم جزاء ولا شكورا.

আর তারা আল্লাহর মহব্বতে দরিদ্র, ইয়াতিম ও বন্দীকে খাদ্য দান করে। শুধু আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভ করার জন্যই খাদ্য দান করে। এর বিনিময়ে না কোন প্রতিদান, না কোন কৃতজ্ঞতা প্রকাশ আশা করে (আত-দাহরঃ ৮-৯)।
আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ হলো,


وَ اعۡبُدُوا اللّٰہَ وَ لَا تُشۡرِکُوۡا بِہٖ شَیۡئًا وَّ بِالۡوَالِدَیۡنِ اِحۡسَانًا وَّ بِذِی الۡقُرۡبٰی وَ الۡیَتٰمٰی وَ الۡمَسٰکِیۡنِ وَ الۡجَارِ ذِی الۡقُرۡبٰی وَ الۡجَارِ الۡجُنُبِ وَ الصَّاحِبِ بِالۡجَنۡۢبِ وَ ابۡنِ السَّبِیۡلِ ۙ وَ مَا مَلَکَتۡ اَیۡمَانُکُمۡ ؕ اِنَّ اللّٰہَ لَا یُحِبُّ مَنۡ کَانَ مُخۡتَالًا فَخُوۡرَا ﴿ۙ۳۶﴾

তোমরা আল্লাহরই ইবাদত করো, তার সাথে কাউকে শরীক করোনা, পিতা মাতার সহিত সদ্ব্যবহার করো, আত্মীয় স্বজনদের সাথে, ইয়াতীমদের সাথে, দরিদ্রদের সাথে, নিকট ও দূরবর্তী প্রতিবেশীদের সাথে, সহচরদের সাথে, পথিকদের সাথে, নিজেদের অধীনস্তদের সাথে সদ্ব্যবহার করো। নিশ্চয় আল্লাহ এরুপ লোকদের ভালোবাসেন না, যারা নিজেকে বড় মনে করে ও আত্মগর্ব করে (আন নিসাঃ ৩৬)।


যদি কোন ব্যক্তি মুসলমান ভাইয়ের উপকার করার চেষ্টা করে, তবে আল্লাহ পাক তাকে দশ বছর ইত্তেকাফ করার সওয়াব দিবেন (তাবারানী)। আল্লাহ ততক্ষন পর্যন্ত বান্দাকে সাহায্য করতে থাকবেন, যতক্ষন পর্যন্ত সে মুসলমান ভাইয়ের সাহায্য করতে থাকে (সহীহ মুসলিম শরীফ ও আবু দাউদ শরীফ)।
যে লোক দুনিয়াবাসীর উপর দয়া করে, আল্লাহ তার তার উপর দয়া করেন। তোমরা যমীন বাসীদের উপর দয় কর, তাহলে আসমানবাসী তোমাদের উপর দয়া করবেন (আবু দাউদ)।


তিন প্রকার লোককে সম্মান করা আল্লাহ তায়ালাকে সম্মান করার মতই, (১) বৃদ্ধ মুসলমান, (২) কুরআনের বাহক যিনি কোন প্রকার পরিবর্তন পরিবর্ধন করেন না এবং (৩) ন্যায়পরায়ন শাষনকর্তা (আবু দাউদ, তারগীব)।


নবী (সাঃ)বলেন, ঐ বান্দা সবচেয়ে সম্মানিত, যে প্রতিশোধ নেয়ার যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও অপরকে ক্ষমা করে দেয় (বায়হাকী)। নবা (সাঃ) বলেন, তোমাদের মধ্যে কেউ ঐ সময় পর্যন্ত ঈমানদার হতে পারবে না, যতক্ষন পর্যন্ত আপন মুসলমান ভাইয়ের জন্য উহাই পছন্দ না করবে, যাহা সে নিজের জন্য পছন্দ করে (বুখারী)। যে ব্যক্তি তিন দিনের বশেী সম্পর্ক ছিন্ন করে রাখল এবং ঐ অবস্থায় মারা গেল সে দোযখে যাবে (আবু দাউদ)।

হাসিলের তরিকাঃ আমরা আলেমদের তাজিম করি, বড়দের শ্রদ্ধা করি, ছোটদের স্নেহ করি। এর ফজিলত ও হুকুম জেনে অপর ভাইকে দাওয়াত দেই এবং সবার জন্য দোয়া করতে থাকি।

(৫) তাসহীহে নিয়্যাতঃ বিশুদ্ধ নিয়ত।

উদ্দেশ্যঃ আমরা যে কোন কাজ করি তা আল্লাহকে রাজী খুশি করার জন্যই করি।

লাভঃ নিয়্যত কে সহী করে ইবাদত করতে হবে। আল্লাহ পাক বলেন,

“বিশুদ্ধ ইবাদত একমাত্র আল্লাহরই যোগ্য (সূরা যুমার-৩)।
আল্লাহ সুবহান ওয়াতায়ালার নির্দেশ হল, “আপনি বলে দিন, আমি আদিষ্ট হয়েছি যে, এরূপে আল্লাহর ইবাদত করি, যেন তারই জন্য ইবাদতকে খাটি রাখি (যুমার-১৯)।


যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে স্বাক্ষাৎ লাভের আকাঙ্খা রাখে, তবে সে যেন নেক কাজ করতে থাকে, এবং আল্লাহর ইবাদতে অন্য কাউকে শরীক না করে (আল কাহাফ-১১০)।
আল্লাহর কাছে না উহাদের (কুরবানীর) গোশত পৌছে, আর না উহাদের রক্ত; তার নিকট তোমাদের তাকওয়া পৌছে থাকে (আল হাজ্জাজ-৩৭)।

কুরআনের আরেকটি স্থানে আছেঃ-

فَمَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ خَیۡرًا یَّرَہٗ ؕ﴿۷﴾
وَ مَنۡ یَّعۡمَلۡ مِثۡقَالَ ذَرَّۃٍ شَرًّا یَّرَہٗ ٪﴿۸﴾

কেউ অনু পরিমান সৎকাজ করলে সে তা দেখতে পাবে, আর কেহ অনু পরিমান অসৎকাজ করলে সে তাও দেখবে (যিলযাল-৭-৮)।
আল্লাহ তায়ালার নির্দেশ হলো,

وَ لَا تُصَعِّرۡ خَدَّکَ لِلنَّاسِ وَ لَا تَمۡشِ فِی الۡاَرۡضِ مَرَحًا ؕ ﴿ۚ۱۸

অহংকারের বশবর্তী হয়ে তুমি মানুষকে অবজ্ঞা করোনা এবং পৃথিবীতে গর্বভরে বিচরন করো না (লোকমান-১৮)।

নবী (সাঃ) বলেন, নিশ্চয় কর্মের ফলাফল নিয়তের উপর নির্ভরশীল (বুখারী)। আল্লাহ মানুষের সমস্ত আমলের মধ্যে শুধু সে আমলকেই পছন্দ করেন, যা এখলাসের সহিত করা হয়েছে এবং উহাতে শুধুমাত্র আল্লাহ্ সুবহান ওয়াতায়ালার রাজি খুশিই উদ্দেশ্য ছিল (নাসাঈ)। নবী (সাঃ)বলেন, সামান্য লোক দেখানো ইবাদতও শিরক (ইবনে মাজাহ)।

আল্লাহ পাক তোমাদের বাহ্যিক আকার আকৃতি এবং তোমাদের ধন সম্পদ দেখেন না বরং তোমাদের দিল (অন্তর) ও তোমাদের আমল দেখেন (মুসলিম)। যে ব্যক্তি দুনিয়াতে নাম ও খ্যাতির পোশাক পরিধান করবে, আল্লাহ পাক কিয়ামতের দিন হাশরের ময়দানে উচ্চস্বরে ঘোষনা করা হবে, যে ব্যক্তি কোন আমলের মধ্যে কাউকে শরীক করেছে, সে যেন আজ তার প্রতিদান তার কাছ থেকেই চেয়ে নেয়। কারন, আল্লাহ পাক যে কোন প্রকার অংশীদারিত্ব হতে মুক্ত (তিরমিযী ও মেশকাত)।

হাসিল করার তরীকাঃ প্রত্যেক কাজ করার পূর্বে লক্ষ্য করি যে, এতে আল্লাহ তায়ালার হুকুম ও নবী (সাঃ) এর তরীকা ঠিক আছে কিনা? আল্লাহকে রাজী খুশি করার জন্য করছি কিনা? কাজের মাঝে নিজের নিয়্যতকে যাচাই করি এবং কাজের শেষে তওবা ও ইস্তেগফার পড়ি।

(৬) দাওয়াতে তাবলীগঃ

আল্লাহ সুবহান ওয়াতায়ালার দেয়া জান মাল নিয়ে আল্লাহর রাস্তায় বের হয়ে জান মাল ও সময়ের সহিহ ব্যবহার শিক্ষা করা। ঈমান ও আমলের উপর মেহনত করে তা হাসিল করা।

লাভঃ

আল্লাহ পাক এরশাদ করেন, তোমাদের মধ্যে এমন একটা দল থাকা আবশ্যক, যারা (মানুষকে) কল্যানের দিকে আহবান করে; সৎকাজের আদেশ করে ও অসৎকাজ করতে নিষেধ করে। আর এইরুপ দলই পূর্ন সফলকাম হবে (আলে-ইমরান-১০৪)।


তোমরাই সর্বশ্রেষ্ঠ উম্মত তোমাদেরকে মানুষের (কল্যানের) জন্য বের করা হয়েছে, তোমরা সৎকাজের আদেশ কর এবং অসৎকাকের নিষেধ কর এবং আল্লাহর প্রতি ঈমান রাখ (আল ইমরান-১১০)।


আল্লাহ রাব্বুল ইজ্জত এরশাদ করেন, হে মুমিনগন, তোমাদিগকে কি এমন একটি ব্যবসার সন্ধান দান করব যা তোমাদেরকে কঠোর আযাব হতে রক্ষা করবে? তা হলো, তোমরা আল্লাহ ও আল্লাহর রাসূলের প্রতি ঈমান আনবে, আল্লাহর রাস্তায় জান ও মাল দিয়ে মেহনত করবে। ইহাই তোমাদের জন্য উত্তম যদি তোমরা তা বুঝ (সূরা আস সফফ-১০)।

হে ঈমানদারগন তোমাদের কি হল? যখন তোমাদের বলা হল যে, বের হও আল্লাহ তায়ালার রাস্তায়, তখন তোমরা মাটি কামড়িয়ে থাক; তবে কি তোমরা আখেরাতের বিনিময়ে দুনিয়ার জীবনের উপর সন্তুষ্ট হয়ে গেলে?অথচ আখেরাতের তুলনায় দুনিয়ার জীবনের উপকরন অতি তুচ্ছ (সূরা তাওবা-৩৮)।

যদি তোমরা বের না হও, তবে আল্লাহ পাক তোমাদেরকে কঠোর শাস্তি প্রদান করবেন এবঙ তোমাদের পরিবর্তে অন্য এক জাতি সৃষ্টি করবেন। তোমরা তার কোন ক্ষতিই করতে পারবেনা। আল্লাহ সর্ব বিষয়ে সর্ব শক্তিমান (সূরা তাওবা-৩৯)।


ঐ ব্যক্তির কথার চেয়ে কার কথা উত্তম হতে পারে যে (মানুষকে) আল্লাহর দিকে ডাকে এবং নিজেও নেক আমল করে এবং বলে, আমি মুসলমানদের মধ্য হতে একজন (হা-মীম সাজদাহ-৩৩)।


হে নবী আপনি বলুন, এটাই আমার রাস্তা, আমি পরিপূর্ন বিশ্বাসের সাথে আল্লাহর দিকে (মানুষকে) ডাকি এবং যারা আমার অনুসারী তারাও (সূরা ইউসুফ-৮০)।

হে নবী ! আপনি দ্বীনের আলোচনা (স্মরন) করতে থাকুন; নিশ্চয় এ স্মরন করানো তাদের উপকার করবে (আল যারিয়াত-৫৫)।


যারা আমার দ্বীনের জন্য মেহনত করে, আমি তাদের জন্য আমার হেদায়েতের রাস্তা খুলে দেই। নিশ্চয় আল্লাহ সৎকর্মপরায়নদের সাথে থাকেন (আনকাবুত-৬৯)।

তিরমিজি শরীফের বর্ণনায় রয়েছে, নবী (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, পৌছে দাও একটি আয়াত হলেও আমার পক্ষ থেকে (বুখারী)। আল্লাহ পাকের রাস্তায় আমাকে এত যন্ত্রনা দেয়া হয়েছে যে, আর কাউকেও এত যন্ত্রনা দো হয় নাই।

৩০ দিন ৩০ রাত আমার উপর এরুপ অতিবাহিত হয়েছে যে, আমার ও বেলালের জন্য এমন কোন খাবার জিনিস ছিল না, যা কোন প্রানী খেতে পারে। শুধু এ পরিমান ছিল যা বেলালের বগলতলা ধারন করতে পারে। অর্থ্যাৎ অতি সামান্য ।


যে ব্যক্তির চেহারা আল্লাহর রাস্তায় ধুলিময় হয়, আল্লাহ পাক অবশ্যই ঐ চেহারাকে কিয়ামতের দিন রক্ষা করবেন। যার পা আল্লাহর রাস্তায় ধুলিময় হবে আল্লাহ পাক তার পা কে জাহান্নামের আগুন হতে অবশ্যই রক্ষা করবেন (বায়হাকী)। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় এক সকাল বা এক বিকাল, দুনিয়া ও দুনিয়ার ভিতর যা কিছু রয়েছে তা থেকে উত্তম (বুখারী)।

আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় কিছু সময় দাড়িয়ে থাকা, আপন ঘরে সত্তর বছর নফল নামায পড়া থেকে উত্তম (তিরমিযী)। আল্লাহ তায়ালার রাস্তায় একরাত পাহারা দেয়া ঐরুপ হাজার রাতের চেয়ে উত্তম, যাতে সারারাত দাড়িয়ে নামায পড়া হয় এবং সারাদিন রোজা রাখা হয় (মুসনাদে আহমাদ)।

হে লোকসকল ! আল্লাহ পাক বলেন, তোমরা সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করতে থাক। হয়ত এমন সময় আসবে, যখন তোমরা প্রার্থনা করবে, কিন্তু কবুল হবেনা, তোমরা সওয়াল করবে কিন্তু তা পূর্ন হবেনা, আর তোমরা শত্রুর বিরুদ্ধে আমার নিকট সাহায্য চাইবে, কিন্ত সাহায্য করা হবেনা (ইবনে মাযাহ)।

নবী করীম (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, যখন আমার উম্মত দুনিয়াকে বেশী গুরুত্ব দিবে তখন ইসলামের মর্যাদা তাদের মন থেকে উঠে যাবে; যখণ তারা সৎকাজে আদেশ ও অসৎকাজে নিষেধ করা ছেড়ে দিবে, তখন ওহীর বরকত হতে বঞ্চিত হবে। আর যখন তারা পরস্পর গালিগালাজ করবে, তখন আল্লাহ তায়ালার রহমতের দৃষ্টি হতে বঞ্চিত হয়ে যাবে (তিরমিযী)।

হাসিল করার তরীকাঃ

আল্লাহর রাস্তায় বেশী থেকে বেশী সময় দিয়ে দাওয়াতের এ মোবারক কাজকে ঈমানিয়াতের সাথে শিক্ষা করি। মসজিদ ওয়ারী আমলে ও মসজিদ আবাদের কাজে সব সময় নিজেকে লাগিয়ে রাখি। যে কোন কাজে মহল্লার সাথী ভাইদের সাথে মাসোয়ারা করি।

মৃত্যু পর্যন্ত মোবারক এই মেহনতের কাজ করার নিয়্যত করি। আল্লাহ পাক আমাকে ও সমস্ত উম্মতে মুহাম্মদীকে দাওয়াতের কাজের জন্য কবুল করুন।

নাজমুল হাসান সাকিব
ইসলামিক রিসার্চ সেন্টার বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা।

দাওয়াত ও তাবলীগের ছয় নম্বারঃ পর্ব -১

আমাদের ফেসবুক পেজে এ যুক্ত হয়ে থাকতে পারেন এবং আমাদের কন্টেন্ট ভিডিও আকারে পেতে আমাদের ইউটিউব চ্যানেল টি সাবস্ক্রাইব করে রাখতে পারেন।

Previous articleদাওয়াত ও তাবলীগের ছয় নম্বারঃ পর্ব -১
Next articleসালাম এর ক্ষেত্রে অনৈসলামিক সংস্কৃতির অনুপ্রবেশ। পর্ব-৩
নামঃ- নাজমুল হাসান সাকিব বিন মুজিবুর রহমান স্থায়ী ঠিকানাঃ- বাহেরবালী, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ। বর্তমান ঠিকানাঃ- বসুন্ধরা, বারিধারা, ঢাকা ১২২৯ পড়াশোনাঃ- বাহেরবালী দারুল উলূম নূমানিয়া মাদরাসা, বাজিতপুর, কিশোরগঞ্জ। (নূরানী টু হেদায়াতুন্নাহ্) জামিয়াতুস সালাম মদিনাবাগ, মুগদা, সবুজবাগ, ঢাকা। (কাফিয়া-শরহে বেকায়া) মারকাজুল উলূম আল-ইসলামিয়া মান্ডা, মুগদা, সবুজবাগ, ঢাকা। আরবী স্নাতক ৪র্থ বর্ষ মদিনাতুল উলূম বসুন্ধরা মাদরাসা ( হেদায়া) মারকাযুল ফিকরিল ইসলামী বাংলাদেশ, বসুন্ধরা, ঢাকা। (এম এ- মাস্টার্স) পেশাঃ- পড়াশোনা (ভবিষ্যত পরিকল্পনা বাস্তবায়নে এখনো অধ্যায়ণরত)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here